নবায়নযোগ্য শক্তি নীতি তুলনা: বিশ্বের সেরা দেশগুলোর অভাবনীয় সাফল্যের রহস্য!

webmaster

재생 에너지 정책 비교 - **Global Green Energy Transition: Diverse Nations United.**
    A vibrant and illustrative global ma...

আমাদের এই দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে, শক্তি নিয়ে ভাবনাটা যেন প্রতি মুহূর্তের সঙ্গী, তাই না? আমি নিজেও যখন দেখি চারপাশের আবহাওয়া আর পরিবেশের এত বদল, তখন মনে প্রশ্ন জাগে—আমরা কি আসলেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটা সুন্দর পৃথিবী রেখে যেতে পারছি?

재생 에너지 정책 비교 관련 이미지 1

আমার অভিজ্ঞতা বলে, এর উত্তর অনেকটাই নির্ভর করে আমরা কেমন করে বিদ্যুত উৎপাদন করছি তার ওপর। আজকাল সবুজ শক্তি, অর্থাৎ নবায়নযোগ্য শক্তি নিয়ে সারা দুনিয়া জুড়ে কত নতুন নতুন আলোচনা আর নীতি আসছে, দেখলে অবাক হতে হয়!

বিশেষ করে বিভিন্ন দেশের সরকারগুলো কীভাবে এই নবায়নযোগ্য শক্তিকে সমর্থন করছে, একে অপরের থেকে কতটা ভিন্ন কৌশল নিচ্ছে, তা সত্যিই ভাবার মতো। যেমন ধরুন, কোনো দেশ হয়তো সৌরশক্তিতে জোর দিচ্ছে, আবার কোনো দেশ বায়ুশক্তির দিকে ঝুঁকছে। এই যে ভিন্ন ভিন্ন নীতি আর তাদের প্রভাব, এটা আমাদের দৈনন্দিন জীবনেও অনেক বড় পরিবর্তন আনছে। আমি নিজে দেখেছি, কিছু নীতির কারণে বিদ্যুৎ বিল কমছে, আবার কিছু নীতি নতুন নতুন চাকরির সুযোগ তৈরি করছে। এই সব কিছু যখন আমি গভীরভাবে খুঁজি, তখন মনে হয়, এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আমাদের সকলেরই একটা স্পষ্ট ধারণা থাকা উচিত। কারণ, আজকের এই নীতিগুলোই কিন্তু আগামী দিনের বিশ্বকে গড়ে তুলবে। এই প্রসঙ্গে আরও অনেক চমকপ্রদ তথ্য এবং বিশ্বব্যাপী নবায়নযোগ্য শক্তি নীতির তুলনামূলক আলোচনা নিচে বিস্তারিতভাবে জানানো হবে। আশা করি, আপনি আমার সাথে থাকবেন এবং সঠিক তথ্যটি জানতে পারবেন!

বিশ্বজুড়ে সবুজ শক্তির নীতিমালা: এক তুলনামূলক চিত্র

আমাদের চারপাশে যত দ্রুত সবকিছু বদলে যাচ্ছে, তাতে পরিবেশ আর জ্বালানি নিয়ে আমাদের ভাবনাগুলোও পাল্টে যাচ্ছে, তাই না? আমি নিজেও যখন দেখি বিভিন্ন দেশ কীভাবে নবায়নযোগ্য শক্তিকে তাদের উন্নয়নের মূলমন্ত্র হিসেবে দেখছে, তখন অবাক না হয়ে পারি না। আমার অভিজ্ঞতা বলে, এই যে সারা বিশ্বে সবুজ শক্তির দিকে একটা বড় ধরনের ঝোঁক, এর পেছনে কিন্তু রয়েছে চমৎকার কিছু নীতিমালা আর দূরদর্শী পরিকল্পনা। শুধু মুখে মুখে পরিবেশ রক্ষার কথা বললে তো আর হবে না, কাজেও তো দেখাতে হবে!

এই নীতিগুলোই আসলে আমাদের পথ দেখাচ্ছে কীভাবে আমরা জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমিয়ে একটা টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে পারি। আমি ব্যক্তিগতভাবে দেখেছি, জার্মানি বা ডেনমার্কের মতো দেশগুলো অনেক আগে থেকেই সৌর ও বায়ুশক্তিকে সমর্থন দিয়ে আসছে, যেখানে তারা বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগ করছে এবং একই সাথে সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন ভর্তুকি আর প্রণোদনার ব্যবস্থা করছে। এই ধরনের নীতিগুলো একদিকে যেমন পরিবেশকে রক্ষা করছে, তেমনি অন্যদিকে নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন আর কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও সহায়তা করছে। এই প্রসঙ্গে, আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোও কিন্তু পিছিয়ে নেই, তারাও তাদের মতো করে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে, যা আমাদের সকলের জন্য শিক্ষণীয় হতে পারে।

নবায়নযোগ্য শক্তিকে সমর্থনকারী দেশগুলো

যখন আমি বিভিন্ন দেশের নবায়নযোগ্য শক্তি নীতি নিয়ে গবেষণা করি, তখন দেখি কিছু দেশ অন্যদের চেয়ে বেশ এগিয়ে আছে। যেমনটা বলছিলাম, জার্মানি তাদের “Energiewende” কর্মসূচির মাধ্যমে পারমাণবিক ও জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে একটি বিশাল পরিবর্তন এনেছে। তারা সৌর প্যানেল এবং বায়ু টারবাইনের জন্য প্রচুর ভর্তুকি দিয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য সবুজ শক্তি গ্রহণ করাকে অনেক সহজ করে তুলেছে। আমার মনে আছে, একবার এক জার্মান বন্ধুর সাথে কথা হচ্ছিল, সে বলছিল কীভাবে তাদের বিদ্যুতের একটা বড় অংশ এখন নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসছে এবং তাদের বিদ্যুৎ বিলও তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল। ডেনমার্ক তো বায়ুশক্তির জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তাদের বিশাল বায়ু টারবাইনগুলো কেবল দেশের বিদ্যুৎ চাহিদাই মেটাচ্ছে না, বরং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ অন্যান্য দেশে রপ্তানিও করছে। এই দেশগুলো প্রমাণ করেছে যে শক্তিশালী সরকারি সদিচ্ছা এবং সঠিক নীতিমালার মাধ্যমে একটি সফল নবায়নযোগ্য শক্তি বিপ্লব সম্ভব।

এশিয়ার প্রেক্ষাপটে নবায়নযোগ্য শক্তির নীতি

আমাদের এশিয়ার দেশগুলোর দিকে তাকালে ভিন্ন ধরনের চিত্র দেখা যায়। চীন, ভারত এবং জাপান নবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে, কিন্তু তাদের নীতিগুলো প্রায়শই জনসংখ্যা এবং অর্থনীতির বিশাল আকারের কারণে ভিন্ন কৌশল গ্রহণ করে। চীন, বিশ্বের বৃহত্তম কার্বন নির্গমনকারী হওয়া সত্ত্বেও, সৌর প্যানেল এবং বায়ুশক্তির উৎপাদনে বিশ্বের নেতৃত্ব দিচ্ছে। তারা বিশাল সৌর পার্ক এবং বায়ু খামার তৈরি করছে, যা তাদের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে সাহায্য করছে। আমার মনে হয়, তাদের নীতিগুলোতে একদিকে যেমন বিশাল বিনিয়োগ আছে, তেমনি আছে প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার। ভারত সৌরশক্তি এবং বায়োমাস জ্বালানিতে প্রচুর বিনিয়োগ করছে, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় যেখানে বিদ্যুতের অভাব এখনও একটি বড় সমস্যা। জাপানে ফুকুশিমা দুর্ঘটনার পর পারমাণবিক শক্তি থেকে সরে এসে নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে মনোযোগ বেড়েছে, এবং তারা সৌরশক্তিকে ব্যাপক হারে গ্রহণ করছে। এই দেশগুলো প্রমাণ করছে যে তাদের নিজস্ব সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী নবায়নযোগ্য শক্তির নীতি তৈরি করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

সৌরশক্তি বনাম বায়ুশক্তি: কোন দেশ কোন পথে হাঁটছে?

নবায়নযোগ্য শক্তির দুনিয়ায় সৌরশক্তি আর বায়ুশক্তির মধ্যে একটা মজার প্রতিযোগিতা যেন সবসময়ই চলে, তাই না? আমি যখন দেখি কোন দেশ কোনটার দিকে বেশি ঝুঁকছে, তখন মনে হয় এর পেছনে শুধু প্রযুক্তিগত কারণ নয়, বরং ভৌগোলিক অবস্থান আর প্রাকৃতিক সম্পদেরও একটা বড় ভূমিকা আছে। আমার অভিজ্ঞতা বলে, যেই দেশে সারা বছর পর্যাপ্ত সূর্যের আলো পাওয়া যায়, তারা সাধারণত সৌরশক্তির দিকে বেশি ঝোঁকে, আর যেখানে বাতাসের গতি ভালো, সেখানে বায়ুশক্তির জয়জয়কার। তবে শুধু প্রাকৃতিক কারণই নয়, সরকারি নীতি আর বিনিয়োগের ধরনও এক্ষেত্রে অনেক বড় পার্থক্য গড়ে দেয়। কিছু দেশ উভয় প্রকার শক্তিতেই সমানভাবে বিনিয়োগ করে চলেছে, আবার কিছু দেশ একটি নির্দিষ্ট উৎসের উপর নির্ভর করে তাদের শক্তি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চাইছে। এই ধরনের কৌশলগত সিদ্ধান্তগুলো প্রতিটি দেশের নিজস্ব প্রয়োজন আর পরিবেশগত লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জ ধ্যপূর্ণ হওয়া দরকার।

Advertisement

সূর্যের আলোয় আলোকিত দেশগুলো

সৌরশক্তিকে ঘিরে যেসব দেশ তাদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছে, তাদের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, এবং আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। অস্ট্রেলিয়াতে সারা বছরই প্রচুর সূর্যালোক পাওয়া যায়, তাই ব্যক্তিগত বাড়িতে সৌর প্যানেল বসানো সেখানে একটি সাধারণ ব্যাপার। আমি একবার অস্ট্রেলিয়ার এক বন্ধুর সাথে কথা বলছিলাম, সে বলছিল কীভাবে তাদের বাড়ির ছাদে সৌর প্যানেল বসিয়ে তারা নিজেদের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাচ্ছে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে ফেরত পাঠিয়ে অর্থ উপার্জনও করছে। ভারতের বিশাল জনসংখ্যা এবং গ্রাম এলাকায় বিদ্যুতের অভাব মেটাতে সৌরশক্তি একটি দুর্দান্ত সমাধান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর “আন্তর্জাতিক সৌর জোট” উদ্যোগও সৌরশক্তির প্রসারে বিশ্বব্যাপী একটি বড় ভূমিকা রাখছে। এই দেশগুলো প্রমাণ করছে যে সঠিক নীতি এবং জনসচেতনতার মাধ্যমে সৌরশক্তিকে কীভাবে একটি কার্যকর সমাধান হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

বাতাসের ডানায় ভর করে চলা দেশগুলো

অন্যদিকে, বায়ুশক্তিকে নিজেদের প্রধান নবায়নযোগ্য উৎস হিসেবে বেছে নিয়েছে ডেনমার্ক, জার্মানি, এবং নেদারল্যান্ডসের মতো দেশগুলো। ডেনমার্কের বিশাল উপকূলরেখা এবং শক্তিশালী বাতাস তাদের বায়ুশক্তির জন্য আদর্শ করে তুলেছে। তাদের অফশোর বায়ু খামারগুলো শুধু দেশীয় চাহিদা মেটাচ্ছে না, বরং ইউরোপের অন্যান্য দেশেও বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। আমার মনে আছে, ডেনমার্কের উপকূলে যখন বিশাল বায়ু টারবাইনগুলো দেখেছিলাম, তখন মনে হয়েছিল প্রযুক্তির সাথে প্রকৃতির এক দারুণ মেলবন্ধন। জার্মানিও বায়ুশক্তিকে তাদের নবায়নযোগ্য শক্তি পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছে। নেদারল্যান্ডস, তাদের ফ্ল্যাট ল্যান্ডস্কেপ এবং বাতাসের প্রাচুর্যের কারণে, বায়ুশক্তি উৎপাদনে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। এই দেশগুলো দেখিয়েছে যে বায়ুশক্তি কেবল পরিবেশবান্ধবই নয়, অর্থনৈতিকভাবেও কতটা লাভজনক হতে পারে।

সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনার জাদু: নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসারে

নবায়নযোগ্য শক্তির কথা যখন বলি, তখন সরকারি ভর্তুকি আর প্রণোদনার কথা না বললেই নয়। আমার অভিজ্ঞতা বলে, এই ভর্তুকিগুলো এক জাদুর কাঠির মতো কাজ করে, যা নবায়নযোগ্য শক্তিকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে আসে। কারণ, প্রাথমিক বিনিয়োগ খরচ প্রায়শই বেশি হওয়ায় অনেকে দ্বিধায় ভোগেন। কিন্তু যখন সরকার নানাভাবে আর্থিক সহায়তা দেয়, ট্যাক্স ব্রেক দেয়, বা সহজ শর্তে ঋণ দেয়, তখন এই সবুজ প্রযুক্তি গ্রহণ করা মানুষের কাছে অনেক আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। আমি নিজে দেখেছি, কীভাবে এই ধরনের উদ্যোগগুলো সৌর প্যানেল বসানো বা ইলেকট্রিক গাড়ি কেনার মতো সিদ্ধান্তগুলোকে সহজ করে দিয়েছে। এই সহায়তার অভাবে অনেক ভালো প্রকল্পও আলোর মুখ দেখতে পারে না, তাই নীতির এই দিকটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভর্তুকির মাধ্যমে গ্রাহকদের উৎসাহিত করা

অনেক দেশই নবায়নযোগ্য শক্তি গ্রহণের জন্য সরাসরি আর্থিক ভর্তুকি প্রদান করে থাকে। যেমন, আমেরিকাতে সৌর প্যানেল বসানোর জন্য ফেডারেল ট্যাক্স ক্রেডিট পাওয়া যায়, যা সিস্টেমের মোট খরচের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ কমিয়ে দেয়। জার্মানি এবং অন্যান্য ইউরোপীয় দেশে “ফিড-ইন ট্যারিফ” (FIT) প্রোগ্রাম রয়েছে, যেখানে নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনকারীরা গ্রিডে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য একটি নির্দিষ্ট হারে অর্থ পান। এই ধরনের কর্মসূচি শুধু গ্রাহকদের বিনিয়োগে উৎসাহিত করে না, বরং নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনকে একটি লাভজনক উদ্যোগে পরিণত করে। আমি মনে করি, এই ধরনের নীতিগুলো একদিকে যেমন পরিবেশবান্ধব জীবনযাত্রাকে উৎসাহিত করে, তেমনি ভোক্তাদের অর্থ সাশ্রয়েও সহায়তা করে, যা তাদের কাছে একটি বিরাট সুবিধা।

নবায়নযোগ্য শক্তি বিনিয়োগে ট্যাক্স ব্রেক

শুধু গ্রাহক পর্যায়েই নয়, নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্পে বিনিয়োগকারী কোম্পানিগুলোকেও বিভিন্ন ধরনের ট্যাক্স ব্রেক এবং ইনসেনটিভ দেওয়া হয়। এতে বড় বড় কোম্পানিগুলো নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে আরও বেশি আগ্রহী হয়। উদাহরণস্বরূপ, ভারতে নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর জন্য বিভিন্ন ট্যাক্স বেনিফিট এবং ভর্তুকি দেওয়া হয়, যা তাদের সৌর বা বায়ুশক্তি প্রকল্প স্থাপনে উৎসাহিত করে। এই নীতিগুলো দীর্ঘমেয়াদে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদন খরচ কমাতে সাহায্য করে এবং এটিকে জীবাশ্ম জ্বালানির সাথে প্রতিযোগিতায় আরও সক্ষম করে তোলে। আমার মতে, এই ধরনের বড় মাপের বিনিয়োগ ছাড়া নবায়নযোগ্য শক্তির ভবিষ্যৎ কখনোই উজ্জ্বল হবে না।

নবায়নযোগ্য শক্তির প্রভাবে অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান

Advertisement

নবায়নযোগ্য শক্তি শুধুমাত্র পরিবেশের জন্যই ভালো নয়, এটি অর্থনীতিতেও যে কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, তা আমি নিজের চোখে দেখেছি। যখন কোনো দেশ সবুজ শক্তির দিকে ঝুঁকছে, তখন শুধু কার্বন নিঃসরণই কমছে না, বরং নতুন নতুন কর্মসংস্থানও তৈরি হচ্ছে। আমার অভিজ্ঞতা বলে, সৌর প্যানেল ইনস্টল করা থেকে শুরু করে বায়ু টারবাইন তৈরি পর্যন্ত, প্রতিটি ধাপে নতুন চাকরির সুযোগ তৈরি হচ্ছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায়, যেখানে ঐতিহ্যগতভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ কম, সেখানে নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্পগুলো নতুন আশার আলো নিয়ে আসছে। এই শিল্পে যত বিনিয়োগ বাড়ছে, তত দক্ষ শ্রমিকের চাহিদাও বাড়ছে, যা দেশের overall অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করছে।

সবুজ চাকরির সৃষ্টি

নবায়নযোগ্য শক্তি খাত বিশ্বজুড়ে দ্রুত বিকাশমান একটি শিল্প, যা লক্ষ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। ইন্টারন্যাশনাল রিনিউয়েবল এনার্জি এজেন্সি (IRENA)-এর তথ্য অনুযায়ী, এই খাতে বিশ্বব্যাপী প্রায় ১২ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ কাজ করছে। এই চাকরির ক্ষেত্রগুলো শুধুমাত্র প্রকৌশলী বা বিজ্ঞানী কেন্দ্রিক নয়, বরং ইনস্টলার, মেরামতকারী, উৎপাদন কর্মী এবং গবেষণা ও উন্নয়নের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের জন্যও প্রচুর সুযোগ তৈরি হচ্ছে। আমার মনে হয়, এই সবুজ চাকরির সুযোগগুলো এমন এক সময়ে এসেছে যখন সারা বিশ্বের অর্থনীতি নতুন পথ খুঁজছে। বিশেষ করে যেসব যুবক পরিবেশ নিয়ে সচেতন এবং নতুন প্রযুক্তিতে আগ্রহী, তাদের জন্য এই খাতটি অত্যন্ত আকর্ষণীয়।

স্থানীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন

নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্পগুলো প্রায়শই প্রত্যন্ত বা গ্রামীণ এলাকায় স্থাপন করা হয়, যেখানে জমির প্রাপ্যতা বেশি। এই প্রকল্পগুলো সেইসব এলাকায় নতুন বিনিয়োগ নিয়ে আসে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি বিশাল সৌর পার্ক বা বায়ু খামার তৈরি হলে, নির্মাণ শ্রমিক, স্থানীয় সরবরাহকারী এবং রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীদের জন্য নতুন কাজ তৈরি হয়। এছাড়াও, এই প্রকল্পগুলো থেকে স্থানীয় সরকারগুলো রাজস্ব আয় করে, যা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় করা যেতে পারে। আমার দেখা মতে, এই ধরনের প্রকল্পগুলো স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য এক ধরনের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আসে, যা তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে সাহায্য করে।

বিদ্যুৎ বিলের ওঠানামা: সরাসরি ভোক্তার উপর প্রভাব

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সবচেয়ে সরাসরি প্রভাবগুলোর একটি হলো বিদ্যুৎ বিল, তাই না? আমি নিজেও প্রতি মাসের শেষে যখন বিলটা হাতে পাই, তখন নবায়নযোগ্য শক্তির নীতিগুলো কীভাবে এর ওপর প্রভাব ফেলছে, তা নিয়ে ভাবি। আমার অভিজ্ঞতা বলে, নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে যখন কোনো দেশ এগোয়, তখন প্রথমদিকে হয়তো কিছু বিনিয়োগের কারণে বিল সামান্য বাড়তে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি স্থিতিশীলতা নিয়ে আসে, এমনকি অনেক সময় বিল কমাতেও সাহায্য করে। কারণ, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসগুলো যেমন সূর্য বা বাতাস বিনামূল্যে পাওয়া যায়, তাই জ্বালানির দামের ওঠানামার প্রভাব এড়ানো সম্ভব হয়। এটি ভোক্তাদের জন্য এক বিরাট স্বস্তির কারণ, কারণ তারা অনিশ্চিত বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের পরিবর্তন থেকে সুরক্ষিত থাকেন।

সরাসরি অর্থনৈতিক সুবিধা

অনেক দেশে নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসারের ফলে ভোক্তারা সরাসরি অর্থনৈতিক সুবিধা পাচ্ছেন। যেমন, যেসব পরিবার নিজেদের বাড়িতে সৌর প্যানেল স্থাপন করেছে, তারা শুধু নিজেদের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাচ্ছে না, বরং গ্রিডে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিক্রি করেও অর্থ উপার্জন করছে। এই “নেট মিটারিং” নীতি অনেক দেশে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে, যা ভোক্তাদের বিদ্যুৎ বিল উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সাহায্য করে। আমার এক আত্মীয় আছেন, তিনি তার বাড়ির ছাদে সৌর প্যানেল বসিয়েছেন, আর এখন তার মাসিক বিদ্যুৎ বিল প্রায় শূন্যের কোঠায় চলে এসেছে!

এই ধরনের উদাহরণগুলো প্রমাণ করে যে নবায়নযোগ্য শক্তি কেবল পরিবেশবান্ধব নয়, বরং আর্থিকভাবেও কতটা লাভজনক হতে পারে।

দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা ও সাশ্রয়

নবায়নযোগ্য শক্তি নির্ভর বিদ্যুতের দাম জীবাশ্ম জ্বালানির মতো আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার উপর নির্ভরশীল নয়। একবার সৌর প্যানেল বা বায়ু টারবাইন স্থাপন হয়ে গেলে, এর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ তুলনামূলকভাবে কম হয় এবং জ্বালানির খরচ প্রায় শূন্য। এর ফলে, দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুতের দাম স্থিতিশীল থাকে এবং ভোক্তারা অপ্রত্যাশিত মূল্যবৃদ্ধি থেকে সুরক্ষিত থাকেন। আমি দেখেছি, যেসব দেশে নবায়নযোগ্য শক্তির অংশীদারিত্ব বেশি, সেখানে বিদ্যুতের দাম তুলনামূলকভাবে কম স্থিতিশীল এবং অনুমানযোগ্য। এটি কেবল ব্যক্তিগত গ্রাহকদের জন্যই নয়, শিল্প ও ব্যবসার জন্যও একটি বিশাল সুবিধা, কারণ তারা তাদের অপারেটিং খরচ আরও ভালোভাবে পরিকল্পনা করতে পারে।

প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং নীতির সমন্বয়

নবায়নযোগ্য শক্তির ভবিষ্যৎ কেবল নীতিমালার উপর নির্ভর করে না, বরং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সাথে এই নীতিগুলোর সমন্বয় কতটা ভালোভাবে হচ্ছে, তার উপরও অনেক কিছু নির্ভর করে। আমার অভিজ্ঞতা বলে, যখন সরকারগুলো নতুন প্রযুক্তিকে সমর্থন করে এবং গবেষণায় বিনিয়োগ করে, তখন এই খাতে দ্রুত অগ্রগতি হয়। এর ফলে সৌর প্যানেল আরও কার্যকর হয়, ব্যাটারি স্টোরেজ সস্তা হয়, এবং বায়ু টারবাইন আরও শক্তিশালী হয়। এই ধরনের উদ্ভাবনগুলো কেবল উৎপাদন খরচই কমায় না, বরং নবায়নযোগ্য শক্তিকে আরও নির্ভরযোগ্য এবং অ্যাক্সেসযোগ্য করে তোলে। এই দুইয়ের মেলবন্ধনই আমাদের সবুজ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ

বিশ্বজুড়ে অনেক দেশই নবায়নযোগ্য শক্তির গবেষণা ও উন্নয়নে প্রচুর বিনিয়োগ করছে। এই বিনিয়োগগুলো নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সহায়তা করে এবং বিদ্যমান প্রযুক্তিগুলোকে আরও উন্নত করে। উদাহরণস্বরূপ, জার্মানিতে Fraunhofer Institute for Solar Energy Systems (ISE) এর মতো গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো সৌর প্যানেলের কার্যকারিতা বাড়াতে এবং উৎপাদন খরচ কমাতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এই ধরনের গবেষণাগুলো নবায়নযোগ্য শক্তিকে আরও সাশ্রয়ী এবং কার্যকর করে তোলে, যা এটিকে জীবাশ্ম জ্বালানির সাথে প্রতিযোগিতায় আরও শক্তিশালী করে। আমার মনে হয়, এই বিনিয়োগগুলোই ভবিষ্যতের জন্য আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

স্মার্ট গ্রিড এবং স্টোরেজ প্রযুক্তির ভূমিকা

নবায়নযোগ্য শক্তির একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো এর অস্থিরতা – সূর্য সবসময় উজ্জ্বল থাকে না এবং বাতাস সবসময় প্রবাহিত হয় না। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্মার্ট গ্রিড এবং উন্নত ব্যাটারি স্টোরেজ প্রযুক্তি অপরিহার্য। স্মার্ট গ্রিড বিদ্যুৎ বিতরণকে আরও কার্যকর করে এবং স্টোরেজ প্রযুক্তি উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সংরক্ষণ করে যখন প্রয়োজন হয় তখন ব্যবহার করার সুযোগ দেয়। দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানের মতো দেশগুলো স্মার্ট গ্রিড এবং ব্যাটারি স্টোরেজ প্রযুক্তিতে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে, যা নবায়নযোগ্য শক্তির নির্ভরযোগ্যতা বাড়াতে সাহায্য করছে। এই প্রযুক্তিগুলো নবায়নযোগ্য শক্তিকে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আরও সহজে একীভূত করতে সহায়তা করবে, যা আমার মতে একটি দারুণ পদক্ষেপ।

দেশ প্রধান নবায়নযোগ্য শক্তি উৎস নীতিগত কৌশল গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প/উদাহরণ
জার্মানি সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি Energiewende, ফিড-ইন ট্যারিফ, ভর্তুকি বিশাল বায়ু খামার, আবাসিক সৌর প্যানেল
ডেনমার্ক বায়ুশক্তি অফশোর বায়ু খামার উন্নয়ন, গ্রিড ইন্টিগ্রেশন হর্নস রেভ অফশোর বায়ু খামার
চীন সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ ব্যাপক বিনিয়োগ, প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার, সৌর পার্ক দেঝু সৌর পার্ক, গোলমুদ সৌর প্ল্যান্ট
ভারত সৌরশক্তি, বায়োমাস আন্তর্জাতিক সৌর জোট, গ্রামীণ বিদ্যুতায়ন ভদ্রা সৌর পার্ক
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি ফেডারেল ট্যাক্স ক্রেডিট, রাজ্য ভিত্তিক প্রণোদনা ক্যালিফোর্নিয়ার সৌর ফার্ম, টেক্সাসের বায়ু খামার
Advertisement

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ বিশ্ব: আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব

আমাদের এই পৃথিবীতে, আমরা তো কেবল কিছু দিনের মেহমান, তাই না? আমার মনে হয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর, সবুজ পৃথিবী রেখে যাওয়া আমাদের সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব। আর এই দায়িত্ব পালনে নবায়নযোগ্য শক্তির নীতিগুলো যে কতটা জরুরি, তা আমি এখন আরও ভালোভাবে বুঝতে পারি। যখন আমি দেখি ছোট ছোট বাচ্চারা কীভাবে পরিবেশ দূষণ নিয়ে চিন্তিত হয়, তখন আমার মনে হয়, আমাদের এখনই সঠিক পদক্ষেপ নিতে হবে। এই নীতিগুলো শুধু পরিবেশ রক্ষাই নয়, বরং আমাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তেও সাহায্য করবে। এটি কেবল সরকারের কাজ নয়, বরং প্রতিটি ব্যক্তি, প্রতিটি পরিবার এবং প্রতিটি সম্প্রদায়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।

পরিবেশগত সচেতনতা বৃদ্ধি

নবায়নযোগ্য শক্তির নীতিগুলো শুধুমাত্র প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ায় না, বরং পরিবেশগত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে। যখন মানুষ বুঝতে পারে যে তাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত কীভাবে পরিবেশের উপর প্রভাব ফেলে, তখন তারা আরও দায়িত্বশীল হয়ে ওঠে। স্কুল এবং কলেজগুলোতে পরিবেশ শিক্ষা প্রদান এবং নবায়নযোগ্য শক্তির গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা অত্যন্ত জরুরি। আমি মনে করি, যখন ছোটবেলা থেকেই শিশুরা পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন হবে, তখন তারাই ভবিষ্যতের জন্য আরও ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। এই সচেতনতা শুধুমাত্র সরকারের নীতি দ্বারা সৃষ্ট হয় না, বরং সমাজের প্রতিটি স্তরে এর বিস্তার প্রয়োজন।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব

재생 에너지 정책 비교 관련 이미지 2
জলবায়ু পরিবর্তন এবং নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসার একটি বৈশ্বিক সমস্যা, যা এককভাবে কোনো দেশ সমাধান করতে পারবে না। আমার অভিজ্ঞতা বলে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং অংশীদারিত্ব এই ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন দেশ যখন তাদের প্রযুক্তি, জ্ঞান এবং সর্বোত্তম অনুশীলন একে অপরের সাথে ভাগ করে নেয়, তখন নবায়নযোগ্য শক্তির অগ্রগতি আরও ত্বরান্বিত হয়। আন্তর্জাতিক সৌর জোট (ISA) বা প্যারিস চুক্তির মতো উদ্যোগগুলো প্রমাণ করে যে সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা কতটা অর্জন করতে পারি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যদি আমরা একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমরা একটি সবুজ এবং উজ্জ্বল পৃথিবী নিশ্চিত করতে পারব।

글을마চি며

সবশেষে বলতে চাই, এই যে আমরা সবুজ শক্তির পথে হাঁটছি, এটা শুধু একটা ট্রেন্ড নয়, বরং আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উজ্জ্বল পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকার। আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, সঠিক নীতি, প্রযুক্তি আর আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা জীবাশ্ম জ্বালানির নির্ভরতা কাটিয়ে উঠতে পারব। পরিবেশ বাঁচানো আর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দুটোই যে একসঙ্গে সম্ভব, তা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখাচ্ছে। আসুন, আমরা সবাই মিলে এই সবুজ বিপ্লবে শামিল হই, কারণ আমাদের ভবিষ্যৎ সত্যিই আমাদের হাতে!

Advertisement

알아두면 쓸모 있는 정보

১. আপনার এলাকায় নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের জন্য সরকারি কোনো ভর্তুকি বা প্রণোদনা আছে কিনা, তা নিয়মিত যাচাই করুন। অনেক সময় বিভিন্ন সরকারি সংস্থা বা বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আকর্ষণীয় অফার দিয়ে থাকে।

২. বাড়িতে সৌর প্যানেল বা অন্যান্য নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবস্থা স্থাপনের আগে পেশাদারদের দিয়ে একটি বিস্তারিত সমীক্ষা করান। এতে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সবচেয়ে কার্যকর সমাধান খুঁজে পেতে সুবিধা হবে এবং ভুল বিনিয়োগ থেকে রক্ষা পাবেন।

৩. শক্তি সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করুন। নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি শক্তি সাশ্রয় করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আপনার বিদ্যুতের বিল কমাতে এটি একটি সহজ এবং কার্যকর উপায়।

৪. যদি আপনার ব্যক্তিগতভাবে নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্প স্থাপন করা সম্ভব না হয়, তবে কমিউনিটি সোলার বা গ্রিন এনার্জি প্রোগ্রামে অংশ নেওয়ার কথা ভাবুন। অনেক এলাকায় সম্মিলিতভাবে নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনে বিনিয়োগের সুযোগ থাকে।

৫. নবায়নযোগ্য শক্তির নতুন প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ রাখুন। ব্যাটারি স্টোরেজ, স্মার্ট গ্রিড এবং অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত উন্নত হচ্ছে, যা আপনার জন্য আরও ভালো বিকল্প নিয়ে আসতে পারে।

중요 사항 정리

নবায়নযোগ্য শক্তির বৈশ্বিক প্রবণতা

আমাদের আলোচনায় আমরা দেখলাম যে, বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তেই নবায়নযোগ্য শক্তি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। জার্মানির ‘এনার্জিউয়েন্ডে’ থেকে শুরু করে চীনের বিশাল সৌর পার্ক পর্যন্ত, সবাই সবুজ ভবিষ্যতের দিকে এগোচ্ছে। দেশগুলো তাদের নিজস্ব প্রেক্ষাপট অনুযায়ী বিভিন্ন নীতি ও কৌশল অবলম্বন করছে। সৌরশক্তি এবং বায়ুশক্তি উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, তবে ভৌগোলিক অবস্থান এবং প্রাকৃতিক সম্পদ অনুযায়ী দেশগুলো একটি নির্দিষ্ট উৎসের দিকে বেশি ঝুঁকছে। এটা কেবল পরিবেশ রক্ষার বিষয় নয়, বরং অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নেরও একটা বড় অংশ। এই পরিবর্তনের মূল চালিকা শক্তি হলো সরকারি নীতিমালা আর জনগণের সচেতনতা, যা ছাড়া এত দ্রুত এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হতো না।

অর্থনৈতিক সুফল ও কর্মসংস্থান

নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসার কেবল পরিবেশের জন্যই ভালো নয়, এটি অর্থনীতিতেও ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। নতুন নতুন সবুজ চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে, যা লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করছে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায়, যেখানে কর্মসংস্থানের অভাব ছিল, সেখানে নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্পগুলো নতুন আশা নিয়ে আসছে। এই খাতে বিনিয়োগ বাড়লে একদিকে যেমন প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ত্বরান্বিত হয়, তেমনি স্থানীয় অর্থনীতিও চাঙ্গা হয়। আমার মনে হয়, এই শিল্পে যত বেশি বিনিয়োগ আসবে, তত বেশি মানুষ একটি স্থিতিশীল এবং সম্মানজনক পেশার সন্ধান পাবে, যা একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বড় অবদান রাখে।

ভোক্তাদের জন্য সরাসরি সুবিধা

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে ঝোঁকার ফলে সাধারণ ভোক্তারাও সরাসরি লাভবান হচ্ছেন। প্রাথমিক বিনিয়োগের পর দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুতের বিল স্থিতিশীল থাকছে, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেও যাচ্ছে। ‘নেট মিটারিং’ ব্যবস্থার মাধ্যমে যারা নিজেদের বাড়িতে সৌর প্যানেল বসিয়েছেন, তারা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে ফেরত দিয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারছেন। জীবাশ্ম জ্বালানির দামের অনিশ্চিত ওঠানামা থেকে ভোক্তারা সুরক্ষিত থাকছেন। এটি কেবল পকেট বাঁচাচ্ছে না, বরং একটি স্বাধীন এবং স্থিতিশীল জ্বালানি ব্যবস্থার দিকেও আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি দেখেছি, কীভাবে এই পরিবর্তনগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে আরও স্বচ্ছন্দ করে তুলছে।

প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ

নবায়নযোগ্য শক্তির ভবিষ্যৎ কেবল নীতিমালার উপর নির্ভর করে না, বরং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সাথে এর সমন্বয় কতটা ভালোভাবে হচ্ছে, তার উপরও অনেক কিছু নির্ভর করে। গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সহায়তা করছে, যেমন আরও কার্যকর সৌর প্যানেল বা উন্নত ব্যাটারি স্টোরেজ সিস্টেম। স্মার্ট গ্রিড এবং স্টোরেজ প্রযুক্তির মাধ্যমে নবায়নযোগ্য শক্তির অস্থিরতা মোকাবিলা করা সম্ভব হচ্ছে, যা এটিকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলছে। এই উদ্ভাবনগুলো নবায়নযোগ্য শক্তিকে আরও সাশ্রয়ী এবং অ্যাক্সেসযোগ্য করে তুলছে, যা আমাদের সবুজ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এই প্রযুক্তিগত অগ্রগতিগুলোই নবায়নযোগ্য শক্তিকে জীবাশ্ম জ্বালানির সাথে প্রতিযোগিতায় আরও সক্ষম করে তুলছে এবং একটি টেকসই বিশ্ব গড়তে সাহায্য করছে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ) 📖

প্র: নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে বিশ্বব্যাপী এই যে এত বড় একটা ঝোঁক, এর পেছনে মূল কারণগুলো কী বলে আপনার মনে হয়?

উ: আরে বাহ! দারুণ প্রশ্ন করেছেন। আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, এই যে নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে সারা বিশ্বের এত মনোযোগ, এর পেছনে বেশ কিছু বড় কারণ আছে। প্রথমত, আমরা সবাই জানি, জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন তেল, গ্যাস, কয়লা – এগুলো একদিন ফুরিয়ে যাবে। শুধু ফুরিয়ে যাওয়া নয়, এদের দামেও সারাক্ষণ ওঠানামা লেগেই থাকে, যা আমাদের মতো সাধারণ মানুষের পকেট থেকে শুরু করে দেশের অর্থনীতিকেও অনেক প্রভাবিত করে। ভাবুন তো, যদি আমরা নিজেদের দেশেই বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারি, তাহলে বাইরের দেশের ওপর আমাদের নির্ভরতা অনেকটাই কমে যাবে, তাই না?
এতে দেশের অর্থও সাশ্রয় হয়।দ্বিতীয়ত, জলবায়ু পরিবর্তন! এই কথাটা তো আজকাল সবার মুখেই শোনা যায়। এই যে ঘন ঘন বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি – এগুলো সব আমাদের পরিবেশের ওপর জীবাশ্ম জ্বালানির খারাপ প্রভাবেরই ফল। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ালে যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হয়, তা আমাদের পৃথিবীকে দিন দিন আরও উষ্ণ করে তুলছে। নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করলে এই কার্বন নিঃসরণ অনেক কমে যায়, ফলে পরিবেশ দূষণও কমে। আমার তো মনে হয়, এটা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটা সুন্দর পৃথিবী রেখে যাওয়ার একটা বড় সুযোগ।এছাড়াও, নবায়নযোগ্য শক্তি আমাদের জন্য নতুন নতুন চাকরির সুযোগ তৈরি করছে। সোলার প্যানেল বসানো, বায়ুকল স্থাপন, রক্ষণাবেক্ষণ – এসবের জন্য তো মানুষের প্রয়োজন হয়, তাই না?
এই খাতটা দিন দিন আরও বড় হচ্ছে, তাই কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়ছে। সব মিলিয়ে, পরিবেশ বাঁচানো, অর্থনৈতিক সুবিধা আর চাকরির সুযোগ – এই তিনটেই হলো নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে ঝুঁকে পড়ার মূল চালিকাশক্তি।

প্র: বিভিন্ন দেশের সরকার নবায়নযোগ্য শক্তি প্রসারের জন্য ঠিক কী কী ধরনের নীতি বা কৌশল অবলম্বন করছে? বাংলাদেশে এর চিত্র কেমন?

উ: এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা দিক! আমি যখন বিভিন্ন দেশের দিকে তাকাই, তখন দেখি একেক দেশের সরকার একেকভাবে নবায়নযোগ্য শক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। যেমন ধরুন, কিছু দেশ সোলার প্যানেল বসানোর জন্য নাগরিকদের ভর্তুকি দিচ্ছে বা ঋণ দিচ্ছে, যাতে বিদ্যুতের বিল কমে। আবার অনেক উন্নত দেশ ‘ফিড-ইন-ট্যারিফ’ (Feed-in-Tariff) এর মতো ব্যবস্থা চালু করেছে, যেখানে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ একটি নির্দিষ্ট দামে গ্রিডে বিক্রি করা যায়। এতে মানুষ উৎসাহিত হয় বিনিয়োগ করতে। আমি নিজে দেখেছি, জার্মানি বা নর্ডিক দেশগুলো কীভাবে সবুজ শক্তি-বান্ধব আইন তৈরি করে এর প্রসার ঘটাচ্ছে। চীন তো বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ, বায়ু এবং সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তুলছে, এমনকি শত শত কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রও বন্ধ করে দিয়েছে!
ভারতেও বিশ্বের সবচেয়ে বড় সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট আছে।আমাদের বাংলাদেশের দিকে তাকালে দেখতে পাই, সরকারও কিন্তু বসে নেই। ২০০৮ সাল থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি কার্যকর হয়েছে। স্রেডা ( টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) ২০১২ সালে আইন প্রণয়ন করেছে, যেখানে সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ, বায়োমাস ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুতের ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল, যদিও পুরোপুরি অর্জন করা যায়নি। তবে, ২০২৫ সালের মধ্যে ‘জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি’র মাধ্যমে সরকারি অফিস, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমনকি ২০৪১ সাল নাগাদ ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রাও রয়েছে। তবে হ্যাঁ, এই লক্ষ্য অর্জন করাটা বেশ চ্যালেঞ্জিং, কারণ এখনো আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৯০% এর বেশি জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল। আমাদের দেশে সৌরশক্তির সম্ভাবনা অনেক বেশি, বিশেষ করে ছাদের ওপর, নদী, হাওর বা পুকুরের মতো জলাশয়ে সোলার প্যানেল বসিয়ে প্রায় ২৪০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব বলে অনুমান করা হয়। সরকার সবুজ ব্যাংকিং এবং নবায়নযোগ্য যন্ত্রপাতি আমদানিতে কর ছাড়ের মতো পদক্ষেপও নিচ্ছে, যা বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করবে। এই পরিবর্তনগুলো সত্যিই আশাব্যঞ্জক!

প্র: নবায়নযোগ্য শক্তি নীতিগুলো কি সত্যিই আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে? এর ফলে কি আমাদের বিদ্যুৎ বিল সত্যিই কমেছে বা নতুন সুবিধা তৈরি হয়েছে?

উ: একেবারে সত্যি কথা! আমি নিজে দেখেছি, নবায়নযোগ্য শক্তি নীতিগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে। আপনি যদি একটু খেয়াল করেন, দেখবেন ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ বিল কমানোর একটা প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে যারা সোলার হোম সিস্টেম বা রুফটপ সোলার ব্যবহার করছেন, তারা সরাসরি এই সুবিধাটা পাচ্ছেন। আমার পরিচিত অনেকেই আছেন যারা ছাদে সোলার প্যানেল বসিয়ে নিজেদের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাচ্ছেন, আর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে বিক্রিও করছেন। এতে তাদের মাস শেষে বিদ্যুতের খরচ অনেক কমে আসছে, যা তাদের পরিবারে একটা বড় অর্থনৈতিক স্বস্তি এনে দিচ্ছে।এছাড়াও, এই নীতিগুলো দেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় অনেক বড় ভূমিকা রাখছে। বাইরের দেশ থেকে তেল, গ্যাস কেনার জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ হতো, সেটা এখন অনেকটাই বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে। এতে দেশের অর্থনীতিতে একটা ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে, যার সুফল আমরাও পরোক্ষভাবে পাচ্ছি। গ্রামের দিকে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতেও নবায়নযোগ্য শক্তি বিশেষ ভূমিকা রাখছে। আমার মনে আছে, আগে যেসব প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ পৌঁছানো কঠিন ছিল, সেখানে এখন সোলার হোম সিস্টেমের মাধ্যমে মানুষ আলো পাচ্ছে, মোবাইল চার্জ দিতে পারছে, যা তাদের জীবনযাত্রার মানকে অনেকটাই উন্নত করেছে।সবচেয়ে বড় কথা, এটি নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করছে। আমি আগেই বলেছি, সোলার প্যানেল স্থাপন, রক্ষণাবেক্ষণ, সবুজ প্রযুক্তির গবেষণা – এসব ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কাজের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। আমার তো মনে হয়, এই সেক্টরটা ভবিষ্যতে আরও অনেক তরুণ-তরুণীর জন্য সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা থেকে আমাদের পৃথিবীকে বাঁচানোর জন্যও এটি অপরিহার্য। যদিও এর কিছু চ্যালেঞ্জও আছে, যেমন প্রাথমিক বিনিয়োগ বেশি হওয়া বা আবহাওয়ার ওপর নির্ভরতা, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এর সুবিধাগুলো সত্যিই অনেক বেশি। আমরা যদি সবাই একটু সচেতন হই আর সরকারের এই উদ্যোগগুলোকে সমর্থন করি, তাহলে একটা সবুজ, সুন্দর আর অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে, এটা আমি নিশ্চিত!

📚 তথ্যসূত্র

Advertisement